লোকগীতির মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করতে চাই”

সম্প্রতি সমাপ্ত হয়েছে দক্ষিন এশিয়ান দেশগুলোকে নিয়ে সাউথ এশিয়ান ডান্স কম্পিটিশন এবং আগামীর তারকা ২০২০ একক সংগীত ও অভিনয় প্রতিযোগীতা। গত ১১ সেপ্টেম্বর  প্রতিযোগীতা দুটির ফলাফল ঘোষনা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিযোগীতার সংগীত বিভাগের ক গ্রুপে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশর মেয়ে রিংকী চাকি এবং ভারত থেকে সাকশী বিশ্বাস। এটিএন লাইফ স্টাইল প্রতিনিধির সাথে একান্ত স্বাক্ষাতকারে নিজের সম্পর্কে জানিয়েছেন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ গ্রাম এর অর্ধসচ্ছল পরিবারের মেয়ে রিংকী চাকী।ছোটবেলা থেকে বাবার কন্ঠে গানে পাঁচ বছর বয়সে বাবার শেখানো প্রথম সারগাম ও দাদুর পুরনো হারমোনিয়াম নিয়ে গানের হাতেখড়ি হয়। বাবার ছিল গানের প্রতি তীব্র আগ্রহ ও ভালোবাসা। সাধ ছিল কিন্তু সাধ্যের বাহিরে। তাই তার আর গান নিয়ে স্বপ্ন পূরণ হয়ে ওঠেনি।

বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে রিংকী আগামীর তারকার চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রতিযোগী।বাবা অনেক কষ্ট করে এক শিল্পকলা একাডেমিতে ভর্তি করিয়ে দেয়। সেখানে ওস্তাদ স্বপন চৌধুরী (উচ্চাঙ্গ গাইবান্ধা শিল্পকলা একাডেমি) ও ওস্তাদ মনোরঞ্জন রায় (লোকগীতি) এর কাছ থেকে তত্তীয় শিক্ষা গ্রহণ করে। ছোটবেলা থেকেই গানের পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কনের প্রতি রিংকীর ছিল তীব্র আগ্রহ, সেই আগ্রহ নিয়েই বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ করে।

জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগীতায় কবিতা আবৃত্তি ও লোকগীতিতে জাতীয় পুরষ্কার অর্জন করে রিংকী। এটিএন বাংলা ও এটিএন এমসিএল এর আয়োজিত সাউথ এশিয়ান ডান্স কম্পিটিশন ও ভারত ও বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ” “আগামীর তারকা”লকডাউনে ঘরবন্দি জীবনে মেতে, উঠুক সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে” এই স্লোগান নিয়ে নির্মিত অনলাইন ভিত্তিক অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করে আজ সে চ্যাম্পিয়ন।

এ প্রসঙ্গে রিংকী বলেন, এটিএন এনসিএল এর সি ই ও সাজেদুর রহমান মুনিম স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী গান এর ভিডিও পাঠাই এবং নির্বাচন পর্যায় এ নির্বাচীত হই। এভাবে এক এর পর এক ধাপ পেরিয়ে আজ আমি চূড়ান্ত পর্যায় এ।আশাকরি বাংলার মাটি ও মানুষ এর গান গেয়ে,একদিন বাংলাদেশ কে বিশ্ব দরবারে স্থান করে দিতে পারবো এবং বাবার স্বপ্ন পূরন করতে পারবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *