অনুষ্ঠিত হলো সাউথ এশিয়ান ডান্স কম্পিটিশন এবং আগামীর তারকা-২০২০ এর পুরষ্কার বিতরণী

“লক ডাউনে ঘরবন্দী জীবনে মেতে উঠুন সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে এটিএন এমসিএল ও এটিএন বাংলা আয়োজন করেছিল দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলো নিয়ে সাউথ এশিয়ান ডান্স কম্পিটিশন এবং বাংলাদেশ ও ভারত দুই বাংলার যৌথ আয়োজনে আগামীর তারকা-২০২০ অভিনয় ও সংগীত প্রতিযোগীতা। নৃত্যে দক্ষিন এশিয়ার ১১ টি দেশের 55 হাজার প্রতিযোগী এবং সংগীত ও অভিনয়ে প্রায় 12 হাজার প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিলো এই প্রতিযোগীতায়।  প্রতিযোগীতা দুটির ফলাফল ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এটিএন এমসিএল 11 সেপ্টেম্বর শনিবার জমকালো অনাড়ম্বর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন  এটিএন গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান ও সম্প্রচার বিভাগের উপদেষ্টা জনাব তাসিক আহমেদ, এটিএন মিডিয়া কমিউনিকেশন এর সিইও সাজেদুর রহমান মুনিম, ইভেন্ট পার্টনার মিরর মিডিয়া লিমিটেড এর কর্ণধার ক্যাপ্টেন মাসুদুর রহমানসহ প্রতিযোগীতার সম্মানিত বিচরক ফাতেমা তুজ জোহরা, নিলুফার ওয়াহিদ পাপড়ি, অভিনেতা ও উপস্থাপক শফিউল আলম বাবু, নাট্য পরিচালক মাসুম শাহরীয়ারসহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানে সাউথ এশিয়ান ডান্স কম্পিটিশন এবং আগামীর তারকা-2020 এর বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন এটিএন গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান এবং পুরষ্কার বিতরণ শেষে বিজয়ী প্রতিযোগীদের নিয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ড. মাহফুজুর রহমান বলেন, এটিএন বাংলা বরাবরই নবীন শিল্পীদের নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শিল্পী সংকট কাটাতে এরকম অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে এবং আগামীতেও এ ধরনের প্র্রতিযোগীতা মূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নৃত্য প্রতিযোগীতায় ক বিভাগে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ থেকে ইভানা মান্নান ও মাহমুদা মালিয়াত এবং আমেরিকা থেকে ঐশী সানাইয়াল ঘোষ। প্রথম রানার আপ হয় ভারত থেকে প্রযুক্তা চক্রবর্তী, নেপাল থেকে প্রগতি পোখারেল এবং বাংলাদেশের রিমিতা নন্দী। দ্বিতীয় রানার আপ হয় ইন্দোনেশিয়া থেকে অ্যালিসা রিজকিয়া হ্যারিস, শ্রীলংকা থেকে কভিসা দিস্যানায়েকে এবং অষ্ট্রেলিয়া থেকে ওয়াফিয়া খান। খ বিভাগে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ থেকে তামান্না রহমান তন্দ্রা এবং ভিহারিকা পাস্পুলুতি। যৌথভাবে প্রথম রানার্স আপ হয় বাংলাদেশ থেকে আফরিন ইসলাম, জান্নাতুল বাকিয়া অর্পা এবং অষ্ট্র্রেলিয়া থেকে ঈশিতা মন্ডল। দ্বিতীয় রানার্স আপ হয় যৌথভাবে নেপাল থেকে চাহানা রানা মাগার, ইন্দোনেশিয়া থেকে মোহাম্মাদ নুর হায়াতুন নুফুস, শ্রীলংকা থেকে থিলাংকা দিদুলানি এবং ভারত থেকে তুনা রুদ্র। অভিনয়ে ক বিভাগে এককভাবে চ্যাম্পিয়ন হয় মেলিতা মেহজাবিন অর্পা। প্রথম রানার্স আপ হয় যৌথভাবে রাহেলা নাবিলা তোরা, সাদিয়া আহমেদ তিনা। দ্বিতীয় রানার্স আপ হয় যৌথভাবে জয়িতা বিনতে এবং জেরিন ইয়াসমিন। এছাড়া জুরি পুরষ্কারে ঘোষিত হন সিহা ফাতেমা হাসান। খ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় যৌথভাবে ঈশরাক আফ্রিদ অন্তিক ও ভাবনা আহমেদ। প্রথম রানার্স আপ হয় মহিবুল্লা শেখ জিসান, দ্বিতীয় রানার্স আপ হয় জারিন তাসনিম পলিন, রাবিতা হাফসা রুপিতা এবং জুরি পুরষ্কার পান যৌথভাবে সাদমান সৌমিক সিয়াম, লিমা তালুকদার এবং মিন্টু চন্দ্র চন্দ। সংগীতে ক বিভাগে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ থেকে রিংকী চাকি এবং ভারত থেকে সাকশি বিশ্বাস, প্রথম রানার্স আপ হয় যৌথভাবে মুহূর্ত সরকার, স্বাগতা চক্রবর্তী এবং উম্মে হুমায়রা। দ্বিতীয় রানার্স আপ হয় যৌথভাবে অর্নব সাহা ও মল্লিকা চৌধুরী। সংগীত খ বিভাগে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয় ময়ুরী দাস জুই এবং মনিকা দেবনাথ কথা। প্রথম রানার্স আপ হয় যৌথভাবে ঈশরাক আফ্রিদ অন্তিক, সাইদা ইসলাম প্রাপ্তি এবং ভারত থেকে সৌমিতা সূত্রধর। দ্বিতীয় রানার্স আপ হয় নাফিসা তাবাস্সুম জুই, আনিকা ইবনাত জিসা এবং প্রিয়া সুলতানা। এছাড়া ক বিভাগ থেকে যৌথভাবে জুরি পুরষ্কারে ভূষিত হয় লাবন্য প্রভা ও ঐন্দ্রিলা ঘর্জা এবং খ বিভাগ থেকে যৌথভাবে জুরি পুরষ্কারে ভূষিত হয় শামামা তাহমিদ, মৃনময় বাসাক, কেয়া বাঙ্গালী এবং রাহেমা আক্তার রাখি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *