রাহুল-মায়াঙ্ককে ছাপিয়ে নায়ক ধাওয়ান

টুর্নামেন্টের অন্যতম সফলতম দল চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ৭ উইকেটের সহজ জয়ে চলতি আসর শুরু করেছিল আইপিএলের বর্তমান রানার্সআপ দিল্লি ক্যাপিট্যালস। পরের ম্যাচেই তারা হেরে যায় রাজস্থান রয়্যালসের কাছে। ঘুরে দাঁড়াতে অবশ্য সময় নষ্ট করেনি রিশাভ পান্তের দল।

আজ পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে আইপিএলের চলতি আসরে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে দিল্লি। পাঞ্জাবের করা ১৯৫ রানের লক্ষ্য টপকে যেতে মাত্র ১৮.২ ওভার খেলেছে তারা। দলের জয়ে মূখ্য অবদান বাঁহাতি ওপেনার শিখর ধাওয়ানের।

 

১৯৬ রানের লক্ষ্যে নেমে যেমন শুরুর দরকার, তেমনটাই করেছিল দিল্লি। শুরু থেকে বোলারদের ওপর চড়াও হন ধাওয়ান, সঙ্গে পৃথ্বি শ। অবশ্য পাওয়ার প্লে শেষ করতে পারেনি ৫৯ রানের এই জুটি। ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে পৃথ্বি আউট হন ১৭ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে ৩২ রান করে।

স্টিভ স্মিথ দ্বিতীয় উইকেটে ৪৮ রানের জুটি গড়লেও অবদান রাখেন মাত্র ৯ রান করে। আর একপ্রান্ত থেকে ঝড় তোলেন ধাওয়ান। ৩১ বলে ৮ চারে হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি। অধিনায়ক ঋষভ পান্তকে সঙ্গে নিয়ে স্কোরবোর্ডে আর ৪২ রান যোগ করে বিদায় নেন ধাওয়ান। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি উদযাপন করতে পারেননি। ৪৯ বলে ১৩ চার ও ২ ছয়ে ৯২ রান করে ঝাই রিচার্ডসনের বলে বোল্ড হন দিল্লি ওপেনার।

১৫তম ওভারের শেষ বলের আগে দলকে ১৫৪ রানে রেখে মাঠ ছাড়েন ধাওয়ান। পান্ত কার্যকরী ছিলেন না ক্রিজে, ১৬ বলে ১৫ রান করে রিচার্ডসনের পরের ওভারে উইকেট হারান। তখন দল জয় থেকে ১৬ রান দূরে। মার্কাস স্টয়নিস ও ললিত যাদব ১৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি মেরে স্টয়নিস জয়ের বন্দরে নেন দিল্লিকে। ১৩ বলে ২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান। আর ললিত হার না মানা ১২ রান করেন।

 

পাঞ্জাবের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন রিচার্ডসন।

এর আগে দিল্লি টস হেরে ফিল্ডিং নিয়ে পাঞ্জাবের দুই ওপেনারের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের মুখোমুখি হয়। পাওয়ার প্লেতে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৫৯ রান করেন রাহুল ও মায়াঙ্ক। ১১তম ওভারের প্রথম বলে দলীয় স্কোর একশ হয়। তার আগে ২৫ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে ঝড়ো ফিফটি হাঁকান মায়াঙ্ক।

 

১৩তম ওভারে লুকম্যান মেরিওয়ালার বলে ধাওয়ানের ক্যাচ হন মায়াঙ্ক। ১২২ রানের শক্ত জুটি ভাঙে। পাঞ্জাব ওপেনার ৩৬ বলে ৭ চার ও ৪ ছয়ে ৬৯ রান করেন। ৪৫ বলে ফিফটি করা রাহুল আর ছয় বল খেলে থামেন। ৫১ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে ৬১ রানে তাকে স্টয়নিসের ক্যাচ বানান কাগিসো রাবাদা।

ক্রিস গেইল ১১ রান করে ফিরে গেলে দীপক হুদা ও শাহরুখ খানের ছোট ঝড় পাঞ্জাবকে দুইশর কাছাকাছি নিয়ে যায়। দীপক ১৩ বলে ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন। শেষ ওভারে দুই চার ও এক ছক্কা মেরে ৫ বলে ১৫ রান করে মাঠ ছাড়েন শাহরুখ।

রাবাদা ও মেরিওয়ালার সমান একটি করে উইকেট নেন দিল্লির বোলার আবেশ খান ও ক্রিস ওকস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *