বইছে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, থাকবে অব্যাহত

পৌষের প্রথম সপ্তাহেই প্রায় সারা দেশজুড়ে বইছে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ছয় দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দুই-তিনদিন শীত আরো বাড়তে পারে।

রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলা এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বেশ কিছু জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। শীত জেঁকে বসায় অনেক জায়গায় দিনের বেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি। কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলেছে গাড়ি। বেশি সমস্যায় পড়ছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। শীতের কষ্টে বেশি ভুগতে হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের বৃদ্ধ ও শিশুদের।

আবহাওয়া অফিস বলছে, ঢাকাসহ সারা দেশে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে গতকাল শুক্রবার থেকে। আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ টাঙ্গাইলে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, চুয়াডাঙ্গা ও রংপুরের বদলগাছীতে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিনাজপুর ও পাবনার ঈশ্বরদীতে ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এ ছাড়া রাজশাহী ও যশোরে ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বগুড়ায় ও নীলফামারীর ডিমলায় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও রংপুরে ছিল ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এই শৈত্যপ্রবাহ আরো কয়েকদিন থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক কাউসার পারভিন বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে যে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে, এটা আগামী তিন থেকে চারদিন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর আস্তে আস্তে স্বাভাবিক শীতের যে তাপমাত্রা ডিসেম্বর মাসে থাকার কথা সেই তাপমাত্রা চলে আসার সম্ভাবনা। এই মাসের শেষের দিকে আরেকটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আকাশ যদি মেঘমুক্ত থাকে, তাহলে এই দিনের বেলা স্বাভাবিক যে সূর্যের তাপমাত্রা, দিনের বেলায় গরম থাকবে এবং রাতের আবার ঠাণ্ডাটা অনুভূত বেশি হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *