বিভাগীয় শহরে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ সালের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। পাশাপাশি করোনাভাইরাসের কারণে ভর্তি পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছাড়াও বিভাগীয় শহরগুলাতে অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার ঢাবি’র সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সোমবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি বিষয়ক সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। নবাব নওয়াব আলী চধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ, বিভিন্ন অনুষদর ডিন, বিভিন্ন বিভাগর চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইন্সটিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্রে জানা যায়, ডিনস্ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রণিতে ভর্তি পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছাড়াও বিভাগীয় শহরগুলাত অনুষ্ঠিত হবে। মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিত শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। এর মধ্য ৪০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের বর্ণনামূলকসহ মাট ৮০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের উপর থাকবে ২০ (১০+১০) নম্বর । ভর্তি পরীক্ষার পাশ নম্বর হবে ন্যূনতম ৪০%।এছাড়ও ভর্তি পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ এবং পরীক্ষার সময়সূচি যথাসময় জানানো হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কখন?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপচার্য ( শিক্ষা) অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, ‘পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টা এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের ওপর নির্ভর করছে। ফলাফল পাওয়ার পরপরই যত দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভব আমরা পরীক্ষা তারিখ জানিয়ে দেব।’

করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল গড় করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে এই ফল প্রকাশ করা হবে।

সেই বাস্তবতায় এতদিন ভর্তিচ্ছুদের মূল্যায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলের উপর ৮০ নম্বর রাখা হলেও এবার তা কমিয়ে ২০ নম্বর করল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়া গত বছর ৭৫ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক ও ৪৫ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নিলেও এবার নৈর্ব্যক্তিকে ৪০ নম্বর এবং লিখিত পরীক্ষা ৪০ নম্বরের করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত বছর সকল ইউনিটে ভর্তির আবেদন ৪৫০ টাকা ছিল।

পাঁচটি ইউনিটের অধীনে গত বছর মোট আসনসংখ্যা ৭ হাজার ১১৮টি ৷ এর মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে ১ হাজার ৭৯৫, কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটে ২ হাজার ৩৭৮, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে ১ হাজার ২৫০, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৫৬০ এবং চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটে ১৩৫টি আসন রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির এই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, হলের প্রাধ্যক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

11 + nine =

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Translate »