সর্বশেষ জনমত জরিপও বাইডেনের পক্ষে

নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে যুক্তরাষ্ট্রে চলছে ভোটগ্রহণ। জটিল এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষে কার হাতে উঠবে হোয়াইট হাউজের চাবি- তা বোঝা খুব কঠিন। যখন ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে ভিড় করছেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত সুইংস্টেটগুলোর সর্বশেষ জরিপ প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ প্রকাশ হয়েছে আজই। এতে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে সামান্য বেশি সমর্থন নিয়ে ফ্লোরিডায় এগিয়ে আছেন ডেমোক্রেট জো বাইডেন। তবে তাদের মধ্যে নর্থ ক্যারোলাইনা ও অ্যারিজোনায় হচ্ছে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতা। তবে জাতীয় পর্যায়ে জরিপে শতকরা ৫২ ভাগ সমর্থনে এগিয়ে আছেন জো বাইডেন। তার প্রতিপক্ষ রিপাবলিকান ডনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন শতকরা ৪৪ ভাগ ভোটার।
অর্থাৎ শতকরা ৮ ভাগ সমর্থন বেশি রয়েছে বাইডেনের প্রতি। এই জরিপ পরিচালনা করা হয় ২৯ অক্টোবর থেকে ২রা নভেম্বর পর্যন্ত। এ সময়ে ১৩৩৩ প্রাপ্ত বয়স্ক মার্কিনির ওপর জরিপ পরিচালনা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফ্লোরিডা, অ্যারিজোনা, নর্থ ক্যারোলাইনা, মিশিগান, উইসকনসিন এবং পেনসিলভ্যানিয়া। সেখানে কার কি অবস্থান তা নির্ধারণ করতেই সর্বশেষ এই জরিপ চালানো হয়। এই জরিপে দেখা গেছে ফ্লোরিডায় শতকরা ৫০ ভাগ মানুষ সমর্থন করছেন বাইডেনকে। ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন শতকরা ৪৬ ভাগ।

এখানে শতকরা ৪১ ভাগ মানুষ আগাম ভোট দিয়ে ফেলেছেন। শতকরা ৪৭ ভাগ মানুষ মনে করেন করোনা মহামারি উত্তমভাবে মোকাবিলা করতে পারবেন জো বাইডেন। তবে শতকরা ৪৪ ভাগ এক্ষেত্রে সমর্থন দিয়েছে ট্রাম্পকে। শতকরা ৫৩ ভাগ মানুষ বলেছেন, তারা মনে করেন ট্রাম্প অর্থনীতিকে ভালভাবে ব্যবস্থাপনা করবেন। এক্ষেত্রে বাইডেনের সমর্থন শতকরা ৪২ ভাগ। ওদিকে অ্যারিজোনাতে শতকরা ৪৯ ভাগ ভোটার পছন্দ করছেন বাইডেনকে। ট্রাম্পের পক্ষে রয়েছেন শতকরা ৪৭ ভাগ। নর্থ ক্যারোলাইনায় বাইডেনের সমর্থন শতকরাপ ৪৯ ভাগ। ট্রাম্পের ৪৮ ভাগ। মিশিগানে জো বাইডেনকে সমর্থন করছেন শতকরা ৫২ ভাগ ভোটার। অন্যদিকে ট্রাম্পে সমর্থন রয়েছে ৪২ ভাগের। উইসকনসিনে বাইডেনকে সমর্থন করেন শতকরা ৫৩ ভাগ। ট্রাম্পে সমর্থন শতকরা ৪৩ ভাগের। পেনসিলভ্যানিয়াতে জো বাইডেনের সমর্থন শতকরা ৫১ ভাগ। ট্রাম্পের শতকরা ৪৪ ভাগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fourteen + twelve =

Translate »