প্রীতি ম্যাচে পর্তুগাল স্পেনের ড্র, ফ্রান্সের গোল উৎসব

পর্তুগালের নেওয়া দু’টি শট ক্রসবারে না লাগলে ফলাফলটা অন্যরকমও হতে পারতো। কিন্তু স্পেনের বিপক্ষে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের প্রীতি ম্যাচটি ড্র হয়েছে গোলশূন্য ব্যবধানে।

দ্বিতীয়ার্ধে জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড রোনালদো এবং রেনেতো সানচেজের শটে বাধা হয়ে দাঁড়ায় স্পেনের গোলপোস্ট। তবে তার আগে প্রথমার্ধে পর্তুগিজদের ওপর ছড়ি ঘোরায় স্প্যানিশরা। কিন্তু লিডস ইউনাইটেডের রদ্রিগো-দানি ওলমোরা সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি।

স্পোর্টিং লিসবনের ৫০ হাজার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামে ম্যাচটি খেলা হয় ২৫০০ হাজার দর্শকের সামনে।

 

#####################

প্রীতি ম্যাচ খেলতে নেমে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের হাতে বিধ্বস্ত হয়েছে ইউক্রেন। আন্দ্রে শেভচেঙ্কোর শিষ্যরা উড়ে গেছে ৭-১ গোলে।

এসি মিলান ও চেলসির সাবেক স্ট্রাইকার শেভচেঙ্কোর অধীনে তো বটে, নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে এটি ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় পরাজয়। অন্যদিকে জোড়া গোলের পাশাপাশি ফ্রান্সের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় কিংবদন্তি তারকা মিশেল প্লাতিনিকে টপকে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছেন অলিভিয়ের জিরু।

জাতীয় দলের জার্সিতে ১০০তম ম্যাচ খেলতে নেমে ৪২তম গোল পেলেন ৩৪ বছর বয়সী চেলসি স্ট্রাইকার। সর্বোচ্চ গোলদাতা থিয়েরি অঁরির রেকর্ড স্পর্শ করতে হলে জিরুকে করতে হবে আরও ৯ গোল।

নিজেদের মাঠ স্তাদে দে ফ্রান্সে ম্যাচের শুরু থেকে ছড়ি ঘোরাতে থাকা দিদিয়ের দেশমের দল এগিয়ে যায় ৯ম মিনিটে, এদুয়ার্দো কামাভিঙ্কার গোলে। এরপর ২৪ ও ৩৩তম মিনিটে নিজের গোল দু’টি করেন জিরু।

৩৯তম আত্মঘাতি গোল হজম করে চতুর্থবারের মতো পিছিয়ে পড়ে শেভচেঙ্কোর দল। তবে বিরতির পর ৫৩তম মিনিটে একটি গোল শোধ করে ইউক্রেন। কিন্তু এরপর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে ফ্রান্স। ৬৫তম তোলিসো, ৮২তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ৮৯তম মিনিটে আঁতোয়া গ্রিজম্যানের গোলে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *