বন্ধুদের নিয়ে গেলেন নিজের বিমানে

দেখার মতো এক বিমান তাঁর। বিমানের গায়ে বড় হরফে লেখা ‘১০’, তাঁর জার্সি নাম্বার। বিমানের সিঁড়ির প্রতিটি ধাপে পরিবারের সদস্যদের নাম লেখা। আর ভেতরে বিলাসবহুল সব ব্যবস্থা চোখ ধাঁধিয়ে দেবে নিশ্চিত। ব্যক্তিগত বিমান তো নয় লিওনেল মেসি যেন নিজের পুরো বাড়ি নিয়ে আকাশে ওড়েন!

পরিবার নিয়ে বেড়ানো কিংবা পেশাগত কাজে দূরে কোথাও গেলে মেসি সাধারণত ব্যক্তিগত বিমান ব্যবহার করে থাকেন। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ খেলতে মেসি ব্যক্তিগত বিমানে পৌঁছেছেন আর্জেন্টিনায়। এবার ব্যক্তিগত বিমানে পরিবারের কেউ নয়, বার্সা তারকার সঙ্গী হয়েছেন তাঁর সতীর্থ, বন্ধুরা।

সতীর্থদের মধ্যে মেসির সঙ্গে সওয়ার হয়েছেন পাওলা দিবালা, লুকাস ওকাম্পোস, মার্কোস আকুনিয়া, নিকোলাস ওতামেন্দিরা। জাতীয় দলের সতীর্থদের সঙ্গে নিয়ে তিনি যেতেই পারেন। কিন্তু এই বিমানে আরেকজন যাত্রী ছিলেন, যাঁর সঙ্গে আর্জেন্টিনার কোনো সম্পর্কই নেই—লুইস সুয়ারেজ। আর্জেন্টিনার সঙ্গে সম্পর্ক না থাকতে পারে, কিন্তু উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার মেসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

এই তো, কদিন আগেও বার্সেলোনায় একসঙ্গে জুটি বেঁধে খেলতেন দুজন। মাঠের বাইরেও বন্ধুত্বের প্রমাণ পাওয়া যেত বারবার। বাইরে কোথাও খেতে যাওয়া, ঘুরতে যাওয়া—সবখানে সুয়ারেজ-মেসি ছিলেন একসঙ্গে। শুধু তাঁরাই নয়, মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো ও সুয়ারেজের স্ত্রী সোফিয়া বালবিরও ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব। সেই সুয়ারেজকেই কদিন আগে বলতে গেলে বের করে দিয়েছে বার্সেলোনা। উরুগুইয়ান স্ট্রাইকারের ঠিকানা এখন মাদ্রিদের ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদ।

মেসি ও সুয়ারেজ—এতদিন মাঠেও ছিল বন্ধুত্ব, এখন শুধু মাঠের বাইরে।

মেসি ও সুয়ারেজ—এতদিন মাঠেও ছিল বন্ধুত্ব, এখন শুধু মাঠের বাইরে।

সুয়ারেজেরও বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ আছে। করোনার কারণে এখন ভ্রমণ খুব একটা সহজ নয়। বন্ধু মেসি তাঁর যাত্রাটা সহজ করতেই হয়তো নিয়ে গেছেন নিজের বিমানে। সুয়ারেজ বুয়েনস এইরেসে নেমে সেখান থেকে যাবেন নিজ দেশ উরুগুয়েতে।

কোচ লিওনেল স্কালোনির অধীনে আজ থেকে অনুশীলন শুরু করবেন মেসিরা। ৯ অক্টোবর শুক্রবার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ ইকুয়েডর। ১৪ অক্টোবর বুধবার তাঁদের আরেক প্রতিপক্ষ বলিভিয়া। সুয়ারেজের উরুগুয়ের খেলাও একই তারিখে। তাঁদের প্রথম প্রতিপক্ষ চিলি, পরেরটি ইকুয়েডর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *