নন্দীগ্রামের জীবত মাহফুজাকে ‘মৃত’ বলে প্রচার, এলাকায় তোলপাড়

ইডেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী পারভীন হত্যাকাণ্ডে দুই গৃহকর্মীর ফাঁসির আদেশের পর প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি নিয়ে বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিভ্রান্তি ও ব্যাপক তোলপাড় চলছে।

জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে নিজ বাসায় খুন হন ইডেন কলেজের অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী পারভীন। গত রবিবার সাবেক অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী পারভীন হত্যাকাণ্ডে দুই গৃহকর্মী রিতা আক্তার স্বপ্না ও রুমা রেশমার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার আগে ও পরে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্সসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে সংবাদ প্রচার করা হয়। সংবাদের সাথে ইডেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী পারভীনের ছবির স্থলে নন্দীগ্রাম উপজেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মাহফুজা চৌধুরীর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। মৃত এবং জীবিত দুজনেরই নাম মাহফুজা চৌধুরী হওয়ায় ছবিতে ভুল হয়েছে দাবি করেছেন জীবিত মাহফুজা। তিনি নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলামের সহধর্মিণী। গণমাধ্যমে মাহফুজার ছবি দেখে নন্দীগ্রাম উপজেলাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

জানতে চাইলে জীবিত মাহফুজা চৌধুরী বলেন, টিভি ও পত্রিকায় মৃত মাহফুজার ছবির স্থলে আমার ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। আমি নিজেও টিভিতে দেখে হতবাক হয়েছি। আমার আত্মীয়-স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে দফায় দফায় আমাকে ফোন করছে। গত সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনে আমি সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলাম। স্থানীয় সংবাদকর্মীরা আমার ছবিসহ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করেছিল। আমার সেই ছবিই মৃত মাহফুজার ছবির স্থলে গণমাধ্যমে প্রচার করেছে। বড় ধরনের বিভ্রান্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া তিনি নিজের ফেসবুকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *