গল্পটা শেষ করতে পারল না কলকাতা

শেষ ৩০ বলে ৯২, টার্গেটটা এভারেস্টে ওঠার মতোই।২২৯ চেজ করে জিততে পারলে হয়ে যেতো আইপিএলের রেকর্ড। ম্লান হয়ে যেতো দিল্লী ক্যাপিটালসের শ্রেয়াস আইয়ারের ৩৮ বলে ৮৮ রানের হার না মানা ইনিংস। তবে লড়াইয়ের শেষ অংকে ১৮ রানে হেরে গেছে কোলকাতা নাইট রাইডার্স।

অথচ, এই অসাধ্য সাধনের যুদ্ধটা চালিয়ে যাচ্ছিলেন কে কে আর এর মরগান। ১৮তম ওভারে রাবাদাকে পর পর ৩ বলে তিন ছক্কায় নাইট রাইডার্স শিবিরে আশার আলো জ্বালিয়েছিলেন। তবে পরের ওভারে নরিজের বলে লং লেগে ক্যাচ দিয়ে আসায় লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে কে কে আর।

শেষ ওভারে ত্রিপতি স্টয়নিচের ইয়র্কারে বোল্ড হলে থেমে যায় কে কে আর-এর হৃদস্পন্দন।সারজার ছোট মাঠে শনিবার চার-ছক্কায় মেতেছে ম্যাচটি। ৫৬টি চার ছক্কার ম্যাচে ছক্কার লড়াইয়ে ছিল ১৪-১৪ তে সমতা। তবে চার এর লড়াইয়ে ১৮-১৪ তে এগিয়ে গেছে দিল্লী।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দিল্লী তিনটি বড় পার্টনারশিপ দিয়েছে উপহার । প্রথম জুটির ৩৫ বলে ৫৬,দ্বিতীয় উইকেট জুটির ৭৩ বলে ৪১, তৃতীয় উইকেট জুটির ৩১ বলে ৭১। শেষ ৩০ বলে ৭৭ ! শুরু থেকে রানের চাকা ছিল সচল, শেষটাতেও। ওপেনার পৃথিবী শ’র ৪১ বলে ৬৬ দিয়েছে বড় পুঁজির আবহ। বাকি দায়িত্বটা পালন করেছেন অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। তার সেঞ্চুরিটি ছিল প্রাপ্য। তবে আন্দ্রে রাসেলের শেষ ওভারে স্ট্রাইক না পাওয়ায় সেঞ্চুরিটি হয়নি তার। ৩৮ বলে ৭ চার,৬ ছক্কায় থেমেছেন শ্রেয়াস আইয়ার ৮৮ রানে। শেষ ওভারে মাত্র ৬ রান খরচ করে প্রশংসিত আন্দ্রে রাসেল এদিন কে কে আর এর সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলার (৪-০-২৯-২)।

২২৯ রানের জবাব দিতে এসে ব্যাটিং পাওয়ার প্লে পর্বে সমতালেই লড়েছে কে কে আর (৫৯/১)। নীতিশ রানা দিয়েছিলেন লড়াইয়ের আবহ (৩৫ বলে ৫৮)। তবে ইনিংসের মাঝপথে মিডল অর্ডার চাপে ফেলেছে কে কে আর কে। শেষ দিকে অবিশ্বাস্য চ্যালেঞ্জটা নিতে যেয়ে পারেননি মরগান-ত্রিপতি। মরগান ১৮ বলে ৫ চার,৫ ছক্কায় ৪৪, আর ত্রিপতি ১৬ বলে ৩ চার,৩ ছক্কায় ৩৬ রান করে দলের ব্যবধানটা শুধু কমাতে পেরেছেন। এই ম্যাচে রাবাদা খেয়েছেন মার (১/৫১)। তবে নরিজ (৩/৩৩) এবং প্যাটেল (২/৩৪) দলের প্রয়োজন মিটিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *