বেফাকের সভাপতি মাহমুদুল হাসান, মহাসচিব মাহফুজুল হক

বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মাহমুদুল হাসান। আর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মোহাম্মদপুরের মুহতামিম মাওলানা মাহফুজুল হক। এছাড়া জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী সহসভাপতি পদে মনোনীত হয়েছেন।

শনিবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলায় বেফাকের মজলিসে আমেলার বৈঠকে সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি ও মহাসচিব নির্বাচিত হন। আর সিনিয়র সহসভাপতি পদে মনোনয়ন দেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।

আমেলার বৈঠকে প্রায় ১২৫ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ভোটের হিসাবে মাওলানা মাহমুদুল হাসান পেয়েছেন ৬৪ ভোট। আর নূর হোসাইন কাসেমী পেয়েছেন ৫০ ভোট। আর হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী পেয়েছেন মাত্র তিন ভোট।

আর মহাসচিব পদে মাওলানা মাহফুজুল হক পেয়েছেন ৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা মুসলেহউদ্দীন রাজু পেয়েছেন ৪০ ভোট।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন বেফাকের সহসভাপতি মুফতি ওয়াক্কাস। সঙ্গে ছিলেন ঢালকানগর মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা জাফর আহমদ ও হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জের মাদ্রাসায়ে নূরে মদিনার মুহতামিম মাওলানা নূরুল ইসলাম ওলিপুরী।

কওমি মাদ্রাসার সরকার স্বীকৃত সর্বোচ্চ সংস্থা ‘আল-হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বেফাকের সভাপতিই হবেন আল-হাইয়াতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান। আর বেফাকের সিনিয়র সহসভাপতি হবেন কো-চেয়ারম্যান।

এর আগে সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয় আমেলা বৈঠক। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলায় অবস্থিত বেফাক অফিসের পাশে ‘শাহজালাল কনভেনশন সেন্টারে’ এ আমেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রথম ধাপের সভাপতিত্ব করেন আল্লামা আব্দুল কুদ্দস। জানা যায়, বৈঠকের শুরুতেই বেফাকের সাবেক চেয়ারম্যান আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

প্রসঙ্গত, বেফাকের দীর্ঘদিনের সভাপতি ছিলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী। গত ১৮ সেপ্টেম্বর তার ইন্তেকালে পদটি খালি হয়। এছাড়া নানা বিতর্কের মুখে বেফাকের মহাসচিব ও সিনিয়র সহসভাপতি থেকে পদত্যাগ করেন মাওলানা আবদুল কুদ্দুস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *