ঘুরিয়ে সুশান্তকেই দোষ দিলেন রিয়া

জামিন পেতে মরিয়া রিয়া একের পর অভিযোগ করেই চলেছেন। আপাতত জেল হেফাজতেই রয়েছেন রিয়া এবং আপ্রাণ চেষ্টা করছেন জামিনের। আর সেইজন্যই এবার সুশান্তের দিকে ঘুরিয়ে আঙুল তুললেন অভিনেত্রী। জামিনের জন্য আবেদনে তিনি লেখেন,’সুশান্ত বেঁচে থাকলে যদি ওঁর বিরুদ্ধে ড্রাগ নেওয়ার এই অভিযোগ উঠত তাহলে ওকেও জেলে যেতে হত। হয়তো ওর সাজা হত জামিনযোগ্য এবং খুব বেশি হলে এক বছরের কারাদন্ড হত। সুশান্ত আমার ভাইকেও সুযোগ পেয়ে ব্যবহার করেছে। নীরজকে প্রায়ই সুশান্ত অর্ডার করত ওঁর জন্য গাঁজা বানিয়ে রাখার জন্য। মৃত্যুর তিনদিন আগেও সুশান্তের নির্দেশে একটি বাক্সে গাঁজা ভরে রেখেছিল নীরজ। ওঁর মৃত্যুর পর বেডরুম থেকেই সেই খালি বাক্স পাওয়া যায়। এর থেকেই বোঝা যায়, নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কীভাবে ও সবাইকে ব্যবহার করত’।

শুধু এখানেই না থেমে রিয়ার আইনজীবী আবেদনে লিখেছেন,’সুশান্ত বার বার তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন, জানাতে চেয়েছিলেন তাঁর মানসিক অবসাদ এবং অন্যান্য বেশ কিছু সমস্যার কথা। কিন্তু সেই সময়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা সুশান্তের ব্যাপারে একেবারেই চিন্তিত ছিলেন না।

২০১৯ সালের নভেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তাঁর তিন দিদি মুম্বই আসেন সুশান্তের সঙ্গে দেখা করতে এবং জানান চিকিত্‍সার জন্যে তাঁকে চণ্ডীগড় নিয়ে যাবেন তাঁরা। এ বিষয়ে রিয়া কোনও হস্তক্ষেপ করেননি। বরং তিনি খুশি হয়েছিলেন যে অবশেষে সুশান্তের পরিবার তাঁর জন্যে চিন্তা করছে। কিন্তু ২৬ নভেম্বর সুশান্ত রিয়াকে ফোন করে জানান তিনি চণ্ডীগড়ে যেতে চান না, কারণ দিদিদের অভিসন্ধি তিনি বুঝতে পারছেন না।

এবং প্রয়াত অভিনেতার মনে হয়েছিল তাঁরা শুধু সম্পত্তি চান। ওই দিন রাতেই তিন দিদি ফ্ল্যাট ছেড়ে বেরিয়ে যান। সেই সময়ে অবসাদের চূড়ান্ত সীমায় ছিলেন অভিনেতা। তবে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি চণ্ডীগড় যান তবে দু’দিনের মাথায় মুম্বই ফিরে আসেন। তাঁর ফিরে আসা সম্পর্কে কোনও তথ্যই ছিল না রিয়ার কাছে।’

আরোও পড়ুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *