সরকারি দলের সিন্ডিকেট পেঁয়াজের দাম বাড়াচ্ছে

সরকার সমর্থিত দলের সিন্ডিকেটই পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর পৃষ্ঠপোষক দাবি করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, পেঁয়াজের দামে স্বল্প আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম।

এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। দুদিন আগেও ৫০/৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে, আর এখন পেঁয়াজের দর সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে মানুষ দিশেহারা। তার ওপর এখন পেঁয়াজের এ অকল্পনীয় দাম বর্তমান ভোটারবিহীন অবৈধ সরকারের ব্যর্থতারই বহিঃপ্রকাশ। সরকার সমর্থিত দলের সিন্ডিকেটই পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর পৃষ্ঠপোষক। আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজিতেই পেঁয়াজের এ দাম বৃদ্ধি।

বিএনপির এ নেতা বলেন, দেশে বেকারত্বের হার বাড়ছে। কর্ম সংস্থানের অভাব ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক দাম বাড়ানোয় সরকারের কোনো দায়িত্ব নেই। অগণতান্ত্রিক সরকারের জনগণের কষ্টের প্রতি ভ্রুক্ষেপ নেই।

তিনি বলেন, ইলিশ উপহার পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। বাংলাদেশ এ সংবাদ পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাজার সিন্ডিকেটের হোতারা তেলেসমাতি শুরু করে দেয়। বাজার অস্থির হয়ে পড়ে। দেশে পেঁয়াজ মজুদ থাকলেও বিক্রি কমিয়ে দিয়েছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। ফলে বাজারে পেঁয়াজের তীব্র সংকট (কৃত্রিম) দেখা দিয়েছে।

রিজভী বলেন, এর আগে সরকার প্রধান নিজেও ‘পেঁয়াজ বিমানে উঠে গেছে আর কোনো সমস্যা নেই’ বলে জনগণের সঙ্গে তামাশা করেছেন যা মানুষ ভুলে যায়নি। মূলত: ভোটারবিহীন সরকারের দুর্নীতি, টাকাপাচার, লুটপাটের মাধ্যমে পাহাড়সমান সম্পদ অর্জনের ফলশ্রুতিতে তারা দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি উদাসীন, জনগণ বাঁচলেই কী মরলেই কী, সেটি তাদের বিবেচ্য নয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *