আকাশচুম্বী বেতনে রোনালদোর চেয়ে ধনী মেসি

লিওনেল মেসি ৬টি  ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ৫টি। ব্যালন ডি’অর জয়ে রোনালদোকে পেছনে ফেলে শীর্ষে আছেন মেসি। মাঠের লড়াই বা পুরস্কারের মঞ্চ—গত এক-দেড় দশক ধরে দুজনের দ্বৈরথ চলছে অবিরত। মেসি-রোনালদোর দ্বৈরথ চলছে মাঠের বাইরেও। সেটা যদি হয় আয়-রোজগারের ক্ষেত্রে, সেখানেও একবার মেসি শীর্ষে ওঠেন তো আরেকবার রোনালদো! ফোর্বস সাময়িকীর করা শীর্ষ আয়ের ফুটবলারদের সর্বশেষ প্রকাশ করা তালিকায় সবার ওপরে এখন মেসি।

 

এর আগেরবার যে তালিকাটি ফোর্বস প্রকাশ করেছিল, সেখানেও সবার ওপরে ছিলেন মেসি। বেতন ও এন্ডোর্সমেন্ট মিলিয়ে গত এক বছরে মেসির আয় ১২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যেটা ১০৬৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। রোনালদো দ্বিতীয় স্থানে আছেন ১১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার আয় নিয়ে। বাংলাদেশি মুদ্রায় জুভেন্টাসের পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের আয় ৯৯২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

আগামী বছর ফোর্বসের তালিকায় কে শীর্ষে যাবেন তা পরেই জানা যাবে। তবে মেসি যদি এবারের দলবদলে বার্সা ছেড়ে ম্যানচেস্টার সিটিতে বা অন্য কোথাও যেতেন তাহলে পরের বছর তাঁর আয়টা আরও ফুলেফেঁপে উঠত নিশ্চয়ই। গত মৌসুমটা শেষ হতে না হতেই মেসি বুরোফ্যাক্স পাঠিয়ে বার্সেলোনাকে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি ন্যু ক্যাম্প ছাড়তে চান। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড মনে করেছিলেন তাঁর চুক্তিতে ৭০ কোটি ইউরোর রিলিজ ক্লজের শর্তটি অকার্যকর হয়ে গেছে। কিন্তু বার্সেলোনা সরাসরি জানিয়ে দেয়, কেউ যদি মেসিকে নিতে চায় তাহলে ৭০ কোটি ইউরো রিলিজ ক্লজ দিয়েই নিতে হবে। ক্লাবের দাবি ছিল, ক্লজটি এখনো কার্যকর আছে।

এ নিয়ে কয়েক দফা আলোচনার পর মেসি তাঁর বার্সা ছাড়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। ঘোষণা দিয়েছেন আরও একটা মৌসুম বার্সেলোনাতেই থাকবেন। বার্সা চাইছে মেসি নতুন চুক্তি করুন। তবে মেসি আসলে কী করবেন তা এখনো পরিষ্কার নয়। সদ্য শুরু হওয়া মৌসুম শেষে মেসি বার্সেলোনা ছাড়লেও তাঁর আয় হয়তো বাড়বে। আবার নতুন চুক্তি করে বার্সেলোনায় থেকে গেলেও বাড়তে পারে আয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *