তুরস্ক ও গ্রিসের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলছে

পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে তুরস্ক ও গ্রিসের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলছে। শনিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান গ্রিস আলোচনায় বসতে রাজি না হলে বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবে বলে হুমকি দিয়েছিলেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গ্রিসও পাল্টা হুমকি দিয়েছে। তারা জানিয়েছে তুরস্কের বিপক্ষে লড়তে প্রস্তুত তারা এবং সে লক্ষ্যে সামরিক সরঞ্জাম বৃদ্ধি করতে তাদের বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর কাছ থেকে সহায়তাও নিচ্ছে। নিজেদের প্রস্তুত করছে। খবর আল জাজিরার।

সোমবার গ্রিস সরকারের মুখপাত্র স্টেলিয়স পেতসাস বলেছেন— তুরস্কের নেতারা প্রতিনিয়ত তাদের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন। তারা যুদ্ধের হুমকি দিয়ে গ্রিসকে ক্ষেপিয়ে তুলছেন। আমরা তুরস্ককে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামরিকভাবে জবাব দিতে প্রস্তুত। আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের বিপক্ষে যা করা লাগে সেটা করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমাদের সামরিক বাহিনীর সাঁজসরঞ্জাম বৃদ্ধি করতে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।

জানা গেছে, সামরিক শক্তির পেছনে খরচ বাড়াতে গিয়ে গেল সপ্তাহে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভূক্ত দেশটি অকশন বন্ডের মাধ্যমে ২.৫ বিলিয়ন ইউরো সংগ্রহ করেছে। আগামী শনিবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেরিয়াকস মিতসোতাকিস দেশটির সামরিক বাহিনীকে আপগ্রেড করার বিস্তারিত পরিকল্পনা ঘোষণা করবেন।

সম্প্রতি দুটি দেশই ভূমধ্যসাগরে নৌ ও আকাশ পথে তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে। তুরস্ক উত্তর সাইপ্রাসের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া দিচ্ছে। এ ছাড়া ভূমধ্যসাগরে নিয়মিত মহড়া দিচ্ছে। ন্যাটো চেষ্টা করে যাচ্ছে দেশ দুটির মধ্যে তৈরি হওয়া যুদ্ধাংদেহী অবস্থার একটা মীমাংসা করার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

19 + ten =

Translate »