‘এসি বিস্ফোরণ হয়নি, আগুন গ্যাস থেকেই’

মসজিদে আগুন লেগে হতাহতের ঘটনায় শোকে স্তব্ধ পুরো তল্লা এলাকা। নিহত ও আহতরা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা এবং পরস্পরের প্রতিবেশী। তাই কে কাকে সান্ত্বনা দেবে, সেই ভাষা ছিল না কারোরই। এ ঘটনা তদন্তে শনিবার বিকেল পর্যন্ত তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা কাজও শুরু করে দিয়েছেন। দুপুরে তদন্ত কমিটির প্রধান লে. কর্নেল জিল্লুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এই কমিটির অন্য সদস্য ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক নূর হাসান ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় তারা গ্যাস ও বিদ্যুৎ থেকে আগুনের উৎস ধরে নিয়ে তদন্তকাজ শুরু করেছেন। এর বাইরে মসজিদটিতে আগুন লাগার আর কোনো কারণ তারা প্রাথমিকভাবে খুঁজে পাননি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘মসজিদটিতে এসি বিস্ফোরণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। কারণ প্রত্যেকটি এসির কম্প্রেসর অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। তবে মসজিদের পেছনের অংশের নিচ দিয়ে গ্যাসের লাইন যাওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ওই লাইনের লিকেজ থেকে বুদ্বুদ আকারে গ্যাস নির্গত হতেও দেখা গেছে। এখন দেখার বিষয় হচ্ছে, কোনটি আগে হয়েছে। শর্টসার্কিট নাকি নির্গত গ্যাস। তবে নির্গত গ্যাসে বৈদ্যুতিক স্পার্ক থেকে আগুনের সূত্রপাত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এখানে এর বাইরে আর কোনো ঘটনা নেই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *