নারায়ণগঞ্জে মসজিদে অগ্নিদগ্ধ ১১ জনের মৃত্যু

শুক্রবার রাতের এই ঘটনায় অগ্নিদগধ অর্ধ শতাধিক ব্যক্তির অধিকাংশকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিল।

ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর শনিবার সকালে সাংবাদিকদের জানান, সকাল ৯টা পর্যন্ত মোট ১১ জন মারা গেছেন।

তারা হলেন, রিফাত, যুবায়ের, হুমায়ুন কবির, মোস্তফা কামাল, ইব্রাহীম, জুয়েল, সাব্বির, দেলোয়ার হোসেন, জামাল,জুনায়েদ ও কুদ্দুস ব্যাপারী।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়াও ১১ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মৃতদের মধ্যে জুয়েল নামে শিশুটির দেহের ৯৫ শতাংশ পুড়ে যায় বলে জানান বার্ন ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক ডা. হুসেইন ইমাম।

মসজিদটির ইমাম ও মুয়াজ্জিন, ফটো সাংবাদিক, জেলা প্রশাসনের একজন কর্মচারীসহ ৩৭ জনকে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

ডা. ইমাম বলেন, “দগ্ধদের সবারই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। রোগীদের সবারাই শরীরের কমপক্ষে ৩০ শতাংশের বেশি দগ্ধ।”

ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, “যারা ভর্তি আছেন, তারা কেউ শঙ্কামুক্ত নন। তাদের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ বলা যায়।”

এদিকে সকালে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন সাংবাদিকদের জানান, বিস্ফোরণে মসজিদের ৬টি এসি পুড়ে গেছে এবং  জানালার কাচও বিস্ফোরণে উড়ে গেছে।

গ্যাস পাইপলাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

নারায়ণগঞ্জ শহরের পশ্চিম তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে এশার নামাজের সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 + 13 =

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Translate »