আরও ৩২ মৃত্যু, শনাক্ত ২১৩১

শনিবার বিকালে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য জানানো হয়।

সকাল ৮টা পর্যন্ত শনাক্ত ২ হাজার ১৩১ জনকে নিয়ে দেশে নতুন করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৫ জন হল।

গত এক দিনে মারা যাওয়া ৩২ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা ৪ হাজার ২০৬ জনে দাঁড়াল।

আইইডিসিআরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ২ হাজার ২৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮৬৩ জন হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ২৩ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ২০ দশমিক ২৫ শতাংশ । শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৬৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে ৮ মার্চ, গত বুধবার তা তিন লাখ পেরিয়ে যায়। এর মধ্যে ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২৫ অগাস্ট সেই সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ১৫তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ২৯তম অবস্থানে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৯২টি ল্যাবে ১১ হাজার ৬৮৯ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১৫ লাখ ২৫ হাজার ৮১৫ টি নমুনা।

গত এক দিনে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ২৬ জন, নারী ৬ জন। তাদের সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন।

তাদের মধ্যে ১৮ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। ৫ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৭ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ২ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছিল।

মৃতদের মধ্যে ১১ জন ঢাকা বিভাগের, ৯ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ১ জন খুলনা বিভাগের, ৩ জন সিলেট বিভাগের, ৫ জন বরিশাল বিভাগের এবং ৩ জন করে মোট ৬ জন সিলেট ও রংপুর বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৪ হাজার ২০৬ জনের মধ্যে ৩ হাজার ৩০০ জনই পুরুষ এবং ৯০৬ জন নারী।

তাদের মধ্যে ২ হাজার ৭২ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ১ হাজার ১৫৬ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৫৬৬ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ২৫৭ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১০০ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৩৬ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ১৯ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম।

মোট মৃতদের মধ্যে ২ হাজার ৩০ জন ঢাকা বিভাগের, ৯২০ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ২৭৯ জন রাজশাহী বিভাগের, ৩৪৮ জন খুলনা বিভাগের, ১৬৫ জন বরিশাল বিভাগের, ১৯১ জন সিলেট বিভাগের, ১৮৪ জন রংপুর বিভাগের এবং ৮৯ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

sixteen − 11 =

Translate »