হারের শোকে ভুল দলকে অভিনন্দন জানালেন নেইমার

স্বপ্নের চ্যাম্পিয়নস লিগটা একটুর জন্য হাত ফসকে গেছে। নিজেকে বিশ্বসেরা প্রমাণের জন্য পিএসজিতে গিয়েছেন নেইমার। টানা দুই বছর চোটের কারণে সেটা প্রমাণ করতে পারেননি। দুবারই নেইমার চোটের কারণে সেভাবে খেলতে পারেননি, দুবারই চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে বাদ পড়েছে পিএসজি। এবারই পূর্ণ সুস্থ হয়ে নকআউট খেলতে নেমেছিলেন। আর তাতেই পিএসজির হয়ে ইতিহাস গড়লেন। পিএসজিকে নিয়ে গেলেন ক্লাবের ইতিহাসের প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে।

যে স্বপ্ন নিয়ে পিএসজিতে আসা, ক্লাবের ইতিহাসের সেই প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের স্বপ্ন নিয়েই পরশু লিসবনে মাঠে নেমেছিলেন এমবাপ্পে-নেইমাররা। কিন্তু নিজেদের ভুলে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের সুযোগটা হাতছাড়া করেছে পিএসজি। নকআউট পর্বে যে ফর্মে ছিলেন, তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি কাল। তবু বেশ কিছু গোলের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখের হাইলাইন ডিফেন্সের সুবাদে। কিন্তু কখনো ডি মারিয়া, কখনো নেইমার এবং অধিকাংশ সময় এমবাপ্পের দৃষ্টিকটু ভুলে শিরোপাটা ক্রমশ দূরে সরে গেছে। শেষ পর্যন্ত পিএসজিরই একাডেমি থেকে উঠে আসা সাবেক খেলোয়াড় কিংসলে কোমানের গোলে ম্যাচটা ১-০ ব্যবধানে জিতে ইউরোপসেরা হয়েছে বায়ার্ন।

ম্যাচ শেষে নিজেকে তাই ক্ষমা করতে পারছিলেন না নেইমার। বেশ কিছুক্ষণ আবেগ আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু রানার্সআপের মেডেল বুঝে নেওয়ার পর আর পারলেন না, কেঁদেই ফেললেন। তার আগেই চোখে জল ঝরানোর কাজটা সেরে ফেলেছিলেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। নেইমারকে বুকে টেনে সান্ত্বনাও দিয়েছেন অনেকে। কিন্তু সবার মনে নেইমারের কান্নাই গেঁথে রয়েছে। সে কান্নাভেজা চোখ নিয়ে পরে পেশাদার ফুটবলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চেয়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *