অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে চালু হলো ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে কোরবানির পশু বিক্রির অনলাইন প্লাটফর্ম ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাটের’ যাত্রা শুরু হয়েছে শনিবার (১১ জুলাই) থেকে।

এটুআই ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সহযোগিতায় ই-হাটের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

জানা গেছে, আইসিটি ডিভিশন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সহযোগিতায় ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট বাস্তবায়ন করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

অনলাইন হাটের বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটা একেবারেই সহজ কাজ নয়, আছে অনেক চ্যালেঞ্জ। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির জন্য পশুর ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয়। সেই সঙ্গে যোগান দেয়া, সঠিক সময়ে ডেলিভারিসহ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক নানা চ্যালেঞ্জ থাকে। তারা বলছেন, এটি খুব সহজ কাজ নয়। আমরা এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করলাম তবে এতে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। অনেক ভুলত্রুটিও হতে পারে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করতে চাই।

অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় রেখে রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কোরবানি পশুর হাট বসাবে না ঢাকা ডিএনসিসি। সেই সঙ্গে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এবার কোরবানির পশুর মাংস বাসা বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ডিএনসিসি। অনলাইনে পছন্দের পশু কেনার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে এটি জবাই করে বাসায় পৌঁছে দেয়া হবে। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মাধ্যমে এমন উদ্যোগ নেয়া হবে। তবে অনলাইন প্রক্রিয়াটা কীভাবে করলে ভালো হবে, কি কি সমস্যা আসতে পারে, এসব ভেবে এ সেবাকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন তারা। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কোরবানির পশুর মাংস বাসা বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে ডিএনসিসি এ কার্যক্রমের সঙ্গে থাকবে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

জানা গেছে, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন এবার দুই থেকে তিন হাজার কোরবানির পশুর মাংস প্যাকেটজাত করে বাসা বাড়িতে পৌঁছানোর চিন্তা করছেন। ৪৫টা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা এ কাজটি করবেন। একটি পশু জবাই করে মাংস কাটার পুরো প্রক্রিয়ায় অনেকগুলো মানুষকে কাছাকাছি আসতে হয়। যেটা এই সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তাই স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয় মেনে পশু কোরবানি করে মাংস কেটে ক্রেতার বাড়িতে দিয়ে আসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে বিক্রি হওয়া পশু রাখার জন্য মোহম্মাদপুরের বছিলা, উত্তরাসহ বেশ কয়েকটি এলাকা নির্ধারণের কাজ চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *