যুক্তরাষ্ট্রের মানব পাচার প্রতিবেদনে সাংসদ পাপুল প্রসঙ্গ

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্ষিক মানব পাচার প্রতিবেদনে তিন বছর পর এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। তবে কুয়েতে মানব পাচার ও অবৈধ মুদ্রা পাচারের অভিযোগে আটক সাংসদ কাজী শহিদ ইসলামের (পাপুল) বিষয়টি প্রতিবেদনে এসেছে, ফলে বিষয়টির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের নজরে থাকবে বাংলাদেশ। ফলে এ নিয়ে এক ধরনের চাপে থাকতে হবে বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশ সময়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে ওয়াশিংটনে মানব পাচার বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা ইভাঙ্কা ট্রাম্প।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আটক সাংসদের নাম উল্লেখ না করেই কুয়েতের প্রসঙ্গটি এসেছে। এতে বলা হয়েছে, সাংসদসহ বাংলাদেশ সরকারের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাই তাদের জন্য অভিযুক্ত জনশক্তি রপ্তানিকারকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া আর অভিবাসীদের জন্য বাড়তি সুরক্ষাসহ অভিবাসনবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাটা সাংঘর্ষিক। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েতের কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে বাংলাদেশের এক সাংসদ ২০ হাজারের বেশি কর্মীকে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে দেশটিতে নিয়ে যান। তিনি ওই সব কর্মীকে বিভিন্ন জায়গায় চুক্তির চেয়ে কম বেতনে চাকরির জন্য নিয়ে যান। কুয়েত নেওয়ার পর ওই সাংসদ কর্মীদের চুক্তির তুলনায় কম বেতন দিয়েছেন কিংবা কাউকে কাউকে কোনো বেতনই দেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *