ইউভেন্তুসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন নাপোলি

যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে অসাধারণ দুটি সেভে দলকে টাইব্রেকারে নিলেন জানলুইজি বুফ্ফন। কিন্তু শুটআউটে পারলেন না আর কোনো কারিশমা দেখাতে। পাওলো দিবালার শট রুখে দিলেন আলেক্স মেরেত, দানিলো মারলেন উড়িয়ে। ইউভেন্তুসকে হারিয়ে ইতালিয়ান কাপ জয়ের উল্লাসে মেতে উঠল নাপোলি।

ইতালির রোমে বুধবার রাতে ফাইনালে নির্ধারিত সময় গোলশূন্য ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে জেতে নাপোলি। ছয় বছরের মধ্যে প্রথম কোনো শিরোপা জিতল দলটি। ২০১৩-১৪ মৌসুমে সবশেষ এই শিরোপাই জিতেছিল তারা।

ম্যাচের শুরুর দিকে নাপোলিকে কিছুটা ধুঁকতে দেখা যায়। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের গুছিয়ে নেয় দলটি। শুরু হয় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ।প্রথমার্ধে প্রতি-আক্রমণে ভীতি ছড়ায় ইউভেন্তুস। দারুণ দুটি সুযোগও পান রোনালদো, কিন্তু গোলরক্ষক আলেক্স মেরেতকে ফাঁকি দিতে পারেননি তিনি। ভাগ্য বিরূপ না হলে ২৬তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো নাপোলিও; লরেন্সো ইনসিনিয়ের দারুণ ফ্রি-কিক পোস্টে বাধা পায়। বিরতির ঠিক আগে ইতালিয়ান এই ফরোয়ার্ডের প্রচেষ্টা কোনোমতে ফেরান আগামী জানুয়ারিতে ৪৩ বছর পূর্ণ করতে যাওয়া গোলরক্ষক জানলুইজি বুফ্ফন।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে আধিপত্য করল নাপোলি। এই পর্বেও কয়েকটি সুযোগ পেল তারা, কিন্তু সাফল্য মিলল না। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল হতে গিয়েও হলো না। সার্ব ডিফেন্ডার নিকোলা মাকসিমোভিচের হেড দারুণ নৈপুণ্যে ঠেকিয়ে দিলেন বুফ্ফন। তবে বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলেন না; আলগা বল পেয়ে মিডফিল্ডার এলমাস শট নিলেন, সেটাও রুখে দিলেন বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক, তার হাত ছুঁয়ে বল পোস্টে বাধা পেলে বেঁচে যায় ইউভেন্তুস। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।পেনাল্টি শুটআউটে দিবালা ও দানিলোর ব্যর্থতায় প্রথমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে রেকর্ড ১৩ বারের চ্যাম্পিয়ন ইউভেন্তুস। লিওনার্দো বোনুচ্চি ও অ্যারন র‌্যামজি লক্ষ্যভেদ করলেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা।

অন্যদিকে, নাপোলির প্রথম চার শট নেওয়া সবাই জালের দেখা পেলে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় দলটির। তাদের পক্ষে সফল কিক নেন ইনসিনিয়ে, পলিতানো, মাকসিমোভিচ ও মিলিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *