ঈদের জামাতেও কড়াকড়ি থাকছে, বড় জমায়েত নয়

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সাধারণ ছুটি ১৭ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের জামাতের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধি-বিধান প্রযোজ্য হবে, অর্থাৎ ঈদের জামাতের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি থাকবে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বিভিন্ন নির্দেশনা সাপেক্ষে ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, ঈদুল ফিতরের নামাজের ক্ষেত্রেও বর্তমানে বিদ্যমান বিধি-বিধান প্রযোজ্য হবে। উন্মুক্ত স্থানে বড় জমায়েত পরিহার করতে হবে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষ আগামী ২৪ বা ২৫ মার্চ দেশে মুসলমানদের সবচেয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ঈদের দিন মসজিদ কিংবা ঈদগাহে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করে থাকেন মুসলমানরা।

করোনার কারণে সরকার প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে। পরে আরও সাত দফায় ছুটি বাড়িয়ে ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু দেশে এখনও করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি নেই, বরং দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।

তবে অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় ইতোমধ্যে জরুরি সেবা সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানা সাপেক্ষে দোকান, শপিংমল, কারখানা, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিসহ অন্যান্য শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খুলে দেয়া হয়েছে। তবে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন।

তবে এর আগের ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, ঈদের সময়ে আন্তঃজেলা পরিবহন বা দূরপাল্লার কোনো যানবাহন চালাচল করবে না। এছাড়া ঈদের ছুটিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *