ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশকে হারালো পাকিস্তান

শিরোপা জয়ের এত কাছে গিয়েও শিরোপা হাতছাড়া করল উদীয়মান টাইগারেরা। গোটা আসরে অপরাজিত থাকা বাংলাদেশ দল ফাইনালে এসে ৭৭ রানে হারলো পাকিস্তানের উদীয়মানদের কাছে।

মিরপুরের শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে সকালে টস জিতে স্বাগতিক অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত সিদ্ধান্ত নেন আগে ফিল্ডিং করার। দিন শেষে বোধহয় এই সিদ্ধান্তটাই পোড়াবে শান্তকে। পাকিস্তানের দেয়া ৩০২ রানের লক্ষ্য টপকাতে গিয়ে খেই হারালো সৌম্য সরকার-নাঈম শেখরা। গোটা টুর্নামেন্টে সৌম্যের যে ব্যাটে চরে উড়েছে বাংলাদেশ, সেই সৌম্যই আজ ব্যর্থ হলেন। মাত্র ১৫ রানে শেষ তার ইনিংস। নাঈম শেখও হাঁটেন একই পথে। ১৬ রান করে মোহাম্মদ হাসনাইনের বলে তুলে দেন ক্যাচ। দুই ওপেনারের বিদায় ৪১ রানে। অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত অবশ্য লম্বা ইনিংস খেলার আভাস দেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি ইয়াসির আলী রাব্বী। জাতীয় দলের পাইপ লাইনে থাকা রাব্বীকে ২২ রানে ফেরান আমাদ বাট। দলীয় ৯২ রানে রাব্বীর ফেরার পর ১০৯ রানের মাথায় শান্তকে ৪৬ রানে ফেরান খুশদিল শাহ। এরপর জাকীর হোসেনও খেলেন ৪৯ রানের ইনিংস। তাতেও ঘুরে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। শেষদিকে মেহেদী হাসান রানার ৪২ রানের ইনিংসও দলের ব্যর্থতা ঢাকেনি। শেষপর্যন্ত পাকিস্তানি বোলারদের তোপে ঘরের মাঠে ২২৪ রানে অলআউট হতে হয়েছে বাংলাদেশকে। পাকিস্তানের হয়ে ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ হাসনাইন। দুটি করে উইকেট নেন খুশদিল শাহ ও সাইফ বাবর। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন সামিন গুল, আমাদ বাট ও উমার খান। আগে ব্যাট করে পাকিস্তানের রোহাইল নাজীর একাই খেলেন ১১৩ রানের ইনিংস। এছাড়াও ইমরান রফিকের ৬২, সাউদ শাকিলের ৪২ ও খুশদিল শাহের ২৭ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ৩০১ রান তুলে দলটি। বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট নেন সুমন খান, ২ উইকেট নেন হাসান মাহমুদ ও ১টি উইকেট নেন মেহেদী হাসান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

5 × 3 =

Translate »